সদ্যপ্রাপ্ত :
শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শহিদদের স্মরণ করেছে ভিক্টোরিয়া কলেজ বাঙ্গড্ডা এডুকেয়ার রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন অশ্লীল ছবি-ভিডিওর ভয় দেখিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব, ননদ জামাই আটক ছুটি শেষে দুবাইতে ফিরে ব্রেইন স্ট্রোকে নাঙ্গলকোটের যুবকের মৃত্যু বাঙ্গড্ডা আইডিয়াল স্কুলের নবীন বরণ ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান জোড্ডা বাজার সিদ্দিকিয়া আলিম মাদরাসায় দাখিল পরিক্ষার্থীদের মিলাদ ও দোয়া অনুষ্ঠান বাঙ্গড্ডা এডুকেয়ার রেসিডেন্সিয়াল স্কুলে নবীন বরণ অনুষ্ঠান বাঙ্গড্ডা এডুকেয়ার রেসিডেন্সিয়াল স্কুলে এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান যজ্ঞশাল ভূঁইয়া মার্কেট জামে মসজিদ উদ্বোধন ভিক্টোরিয়া কলেজে ভারতীয় অধ্যক্ষের আগমন
নঈম নিজামকে এমপি হিসেবে পেতে কুমিল্লা-১০ আসনের জনগণ ঐক্যবদ্ধ

নঈম নিজামকে এমপি হিসেবে পেতে কুমিল্লা-১০ আসনের জনগণ ঐক্যবদ্ধ

সাফায়েত উল্লাহ মিয়াজী :

আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত ১৫ বছরে এ আসনের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রত্যাশার সাথে প্রাপ্তির মিল নেই
নঈম নিজামকে এমপি হিসেবে পেতে কুমিল্লা-১০ আসনের জনগণ ঐক্যবদ্ধ

সাফায়েত উল্লাহ মিয়াজী :


কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ ও লালমাই) আসনের সর্বস্তরের জনগণ বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিষ্ট ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান নঈম নিজামকে এমপি হিসেবে দেখতে চান। দাবি আদায়ে এ আসনের তৃণমুলের নেতা-কর্মীরা একাট্টা। তারা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট নঈম নিজামকে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন।


স্থানীয় আওয়ামীপ্রেমিরা জানান, কুমিল্লা-১০ দেশের সর্ববৃহৎ একটি সংসদীয় আসন। নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ ও লালমাই উপজেলা নিয়ে আসনটি বিস্তৃত। আসনটির একপ্রান্তে কুমিল্লা শহর অন্যপ্রান্তে ফেনী ও নোয়াখালী জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা। এখানে ভোটার সংখ্যা ৭ লাখ ৩৪ হাজার ৫২৯ জন। আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত ১৫ বছরে এ আসনের সামগ্রিক উন্নয়নে প্রত্যাশার সাথে প্রাপ্তির মিল নেই। নাঙ্গলকোটের উপর দিয়ে গ্যাস লাইন গেলেও এখানে নেই গ্যাস সংযোগ। এতে নাঙ্গলকোট পৌরশহরের আবাসন ব্যবস্থা অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। উপজেলা স্থাপনের চার দশকেও ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও বাস টার্মিনাল স্থাপিত হয়নি। চারলেন সড়ক না থাকায় সরাসরি ঢাকা, চট্টগ্রাম যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়ছে উপজেলাবাসী। উপজেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অত্যন্ত নাজুক। ২০০৬ সালে গোহারুয়ায় ২০ শয্যা একটি হাসপাতাল চালু হলেও আদৌ তাতে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা সেবা চালু হয়নি। জোড়াতালি দিয়ে চলছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। নাঙ্গলকোট পৌরসভা ১ম শ্রেণিতে উন্নীত হলেও নান্দনিকতাসহ সামগ্রিক উন্নয়নে পিছিয়ে আছে। ঢাকা, চট্টগ্রামের মাঝামাঝি নাঙ্গলকোটের অবস্থান হওয়ায় এখানে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার অপার সম্ভাবনা থাকলেও যথাযথ উদ্যোগের অভাবে আজো তা বাস্তবায়িত হয়নি।


নাঙ্গলকোটের পাশাপাশি সংসদীয় এ আসনের আওতাধীন সদর দক্ষিণ ও লালমাই উপজেলাও উন্নয়নে তুলনামুলক অনেকটা পিছিয়ে রয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে লালমাই উপজেলা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও আদৌ এখানে পূর্ণাঙ্গ নাগরিক সেবা চালু হয়নি। সদর দক্ষিণ ও লালমাই ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ের আওতাধীন হওয়ায় এখানে অর্থনৈতিক জোন গড়ে তোলার বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাবে তা সম্ভব হয়নি।


কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণ ও লালমাই) আসনকে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে নিতে এখানকার আওয়ামী প্রেমীসহ তৃণমুলের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের দাবি আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার মাঝি হিসেবে সজ্জন ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট সাংবাদিক-কলামিষ্ট নঈম নিজামকে দেখতে চান। তাদের মতে- জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নঈম নিজাম এর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতার পাশাপাশি মেধাবী ও প্রজ্ঞাপন সর্বোপরি একজন জনপ্রিয় ব্যক্তি হিসেবে কুমিল্লা-১০ আসনে সামগ্রিক উন্নয়নের মাধ্যমে একটি মডেল সংসদীয় আসনে রূপান্তর করতে সক্ষম হবেন। এজন্য আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট তাদের প্রাণের দাবি আসন্ন নির্বাচনে কুমিল্লা-১০ আসনে নঈম নিজামকে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হোক। আর তাকে মনোনয়ন দেয়া হলে এ আসনে ঝিমিয়েপড়া আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করার মাধ্যমে আসনটি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দিতে পারবেন।
ছাত্রজীবন থেকে নঈম নিজাম এর প্রিয় ব্যক্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সাংবাদিকতা পেশার পাশাপাশি তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি দীর্ঘদিন যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ও নাঙ্গলকোট উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিতেও তিনি রয়েছেন। জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি ঢাকা কাটালেও নাঙ্গলকোটের মাটি ও মানুষের প্রতি তার হৃদয়ের যথেষ্ট টান রয়েছে। তিনি সুযোগ পেলেই ছুটে আসেন নাঙ্গলকোট। যোগ দেন সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে। নঈম নিজাম সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়ার খুবই আস্থাভাজন ছিলেন। জয়নাল আবেদীন তাকে খুব ভালোবাসতেন। আওয়ামী রাজনীতির প্রতি নঈম নিজাম এর ভালোবাসার কারণে তিনি জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়াকে সকল কাজে বেশ সহযোগিতা করেছেন।


১৯৮১ সালে নাঙ্গলকোট উপজেলা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া ছিলেন আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতাদের অন্যতম। ১৯৮৭ সাল থেকে নঈম নিজাম নাঙ্গলকোটের আওয়ামী রাজনীতির সাথে পুরোপুরি সম্পৃক্ত হন। রাজনীতিতে তিনি জয়নাল আবেদীন ভূঁঁইয়াকে যুগিয়েছেন উৎসাহ-উদ্দীপনা। ’৯৬ সালের নির্বাচনে নঈম নিজাম এর ঢাকাস্থ অফিসে বসেই জয়নাল আবেদীন ভুঁইয়া মনোনয়ন ফরম পূরণ করেন। আর সে বছরই জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়া এমপি হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে নঈম নিজাম ছিলেন জয়নাল আবেদীন ভুঁইয়ার খুবই কাছাকাছি। তিনি বিভিন্ন সভা-সমাবেশে যোগ দিয়ে জয়নাল আবেদীন ভুঁইয়াকে বিজয়ী করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।


নঈম নিজাম বরাবরই সকল লোভ-লালসার উর্ধ্বে। তিনি সামাজিক, রাজনৈতিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের সাথে মন খুলে মিশেন। এমন গুণাবলীর কারণেই তিনি নাঙ্গলকোট তথা কুমিল্লা-১০ আসনের সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসার প্রিয়জন হয়ে উঠেছেন। জয়নাল আবেদীন ভূঁইয়ার মৃত্যুর পর নাঙ্গলকোটের আওয়ামীপ্রেমিরা নঈম নিজামকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য উৎসাহ-উদ্দীপনা যোগান। মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে তিনি আসেন জনতার কাতারে। শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। নাঙ্গলকোটের সর্বত্রই বয়ে যায় তাঁর গণ-জোয়ার। ওয়ান ইলেভেন পূর্ববর্তী সময়ে বাতিল হওয়া নির্বাচনে মনোনয়ন দৌঁড়ে সবচেয়ে এগিয়ে ছিলেন নঈম নিজাম। কিন্তু তখন বিএনপি’র মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে মনোনয়ন পান ডা. একেএম কামারুজ্জামান। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা তখন ডা. কামারুজ্জামানকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন- ‘নঈম নিজাম এর মনোনয়ন আপনাকে দিয়েছি’। শেষ পর্যন্ত ওয়ান ইলেভেন এর আবির্ভাবে ওই নির্বাচন পন্ড হয়ে যায়। নাঙ্গলকোট একটি স্বতন্ত্র আসন থাকলেও ওই সময় নাঙ্গলকোটের সাথে সদর দক্ষিণ ও লালমাইকে যুক্ত করে কুমিল্লা-১০ আসন ঘোষণা করা হয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনে ওই আসনে এমপি নির্বাচিত হন বর্তমান অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ওই সময় থেকে শুরু করে যতটা জাতীয় নির্বাচন হয়েছিল অতীতের মতো প্রতিটি নির্বাচনে নঈম নিজাম দলের সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কাজ করেন। রাজনীতিতে তাঁর এমন ত্যাগের কারণেই আসন্ন দ্বাদশ নির্বাচনে তাকে নৌকার কান্ডারি হিসেবে দেখতে কুমিল্লা-১০ আসনের আওয়ামীপ্রেমিসহ সর্বস্তরের মানুষ একাট্টা।


আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকলেও কুমিল্লা-১০ আসনের প্রতিটি এলাকায় একজন পরিচ্ছন্ন মানুষ হিসেবে নঈম নিজামের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ সরকার গঠনের পর নঈম নিজাম মন্ত্রণালয় থেকে অসংখ্য ব্রীজ, কালভার্ট, রাস্তা অনুমোদন করে অবহেলিত নাঙ্গলকোটের উন্নয়নে প্রশংসনীয় অবদান রাখেন। তাঁর বিভিন্ন উন্নয়নের স্বাক্ষর নাঙ্গলকোটে এখনো পরিলক্ষিত। বিগতদিনে তিনি এমপি বা মন্ত্রী ছিলেন না ঠিকই; কিন্তু সকল শ্রেণীর মানুষের সাথে তার সুসম্পর্কের কারনেই তা সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে তৎকালীন এলজিইডি’র প্রধান প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সিদ্দিকের সাথে তাঁর হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্কের সূত্র ধরেই তিনি নাঙ্গলকোটের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন। নঈম নিজাম এসব উন্নয়ন ছাড়াও নাঙ্গলকোটের অসংখ্য বেকার যুবককে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন খাতে চাকুরির ব্যবস্থা করে অনেক পরিবারে হাসি ফুটিয়েছেন।


নাঙ্গলকোটে শিক্ষা বিস্তারে নঈম নিজাম অনবদ্য অবদান রাখেন। উপজেলার হেসাখাল বাজার নঈম নিজাম ডিগ্রী কলেজের উন্নয়নে তিনি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে কোটি টাকার বেশি অনুদান দিয়েছেন। উপজেলার অন্যান্য অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও তিনি সাধ্যমতো সহযোগিতা করেছেন। মানবিকতায় তিনি জাগিয়েছেন আশার আলো। করোনা, প্রাকৃতিক দূর্যোগ সহ বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নাঙ্গলকোটের সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে সাহায্য সহযোগিতা করে ব্যাপক প্রশংসিত হন।
বিশিষ্ট সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নঈম নিজাম নাঙ্গলকোট উপজেলার জোড্ডা ইউনিয়নের গোহারুয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে এলাকার ঐতিহ্যখ্যাত ভূঁইয়া বংশে স্বাধীনতা যুদ্ধপূর্ব ১৯৬৫ সাল ৫ নভেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তঁাঁর পিতার নাম মরহুম মোখলেছুর রহমান। মায়ের নাম ফাতেমা বেগম। ৫ ভাইয়ের মধ্যে নঈম নিজাম সবার ছোট। তাঁর বড় ভাই মরহুম আশরাফ উদ্দিন ভূঁইয়া ছিলেন একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা।


নঈম নিজাম ছাত্রজীবন থেকেই অত্যন্ত মেধাবী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ¯œাতক পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করেন। তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ থেকে এন.ডি.সি কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের আমন্ত্রণে সাংবাদিকতার উপর ডিপ্লোমা করেন।
সাংবাদিকতায় নঈম নিজাম বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একজন সুনামধন্য সাংবাদিক ও কলামিষ্ট। দীর্ঘদিন সাংবাদিকতার সাথে জড়িত থেকে তিনি বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় নেতৃত্ব দিয়ে সাফল্য বয়ে এনেছেন। তিনি মিডিয়ার যেখানেই হাত দিয়েছেন সেখানেই সফলতা এসেছে। যার জ¦লন্ত প্রমাণ দেশের সর্বাধিক প্রচারিত বাংলাদেশ প্রতিদিন। তিনি পত্রিকাটির সম্পাদক। দীর্ঘ পথপরিক্রমায় তিনি দেশ-বিদেশে অসংখ্য মেধাবী সাংবাদিক সৃষ্টি করেছেন। এককথায় তাকে সাংবাদিকতা জগতের কারিগর বলা হয়।


নঈম নিজাম এর স্ত্রীর নাম ফরিদা ইয়াছমিন। তিনি মহিলা সাংবাদিকদের পথিকৃৎ। দেশের শীর্ষ স্থানীয় জাতীয় দৈনিক ইত্তেফাকের মহিলা পাতার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন ছাড়াও নারীদের নিয়ে বিভিন্ন সচিত্র প্রতিবেদন লিখে নারী সম্প্রদায়কে সমাজের উচ্চ স্থানে আসীন করতে সাহসী ভূমিকা রাখেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার নিউজ ব্যাচ ইনচার্জ হিসেবে সততা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।


ফরিদা ইয়াছমিন নির্বাচনের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ভোটে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হয়ে অত্যন্ত সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে দুই দুই বার নির্বাচন করে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। দাম্পত্য জীবনে নঈম নিজাম ও ইয়াছমিন দম্পতি দুই সন্তানের গর্বিত জনক-জননী। ছেলে মাহীর আবরার যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতনামা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনির্ভাসিটি অব ব্রিজফোর্ট ইন্টারন্যাশনালে বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন বিষয়ে ও মেয়ে নুজহাত পূর্ণতা বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের অন্যতম ইউনির্ভাসিটি অব মেসারস টুয়েটস (ইউমেক্স) এ মনোরোগ বিষয়ে পড়াশোনা শেষে স্ব-স্ব কর্মক্ষেত্রে সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।


নঈম নিজাম ইতোপূর্বে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জার্মানী, ফ্রান্স, ইতালি, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, চীন, মালেয়শিয়া, বাহরাইন, ভারত, আমিরাতসহ বিভিন্ন দেশ সফর করেন। উল্লেখযোগ্য সফরের মধ্যে তিনি ১৯৯৭ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে স্কটল্যান্ডের এভিনভরায় এক সম্মেলন যোগদান করেন। ২০০১ সালে তিনি শেখ হাসিনার সাথে লন্ডন ও বেলজিয়াম সফর করেন। ১৯৯৯ সালে লাকসামের নাওটি রেলষ্টেশনে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার সময় হেলিকপ্টারযোগে আওয়ামীলীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনার সাথে নাঙ্গলকোট পদচারণা করেন। একজন সফল সাংবাদিক হিসেবে তিনি শুধু বাংলাদেশে নয়, বহির্বিশ্বেও যথেষ্ট সুনাম-সুখ্যাতি অর্জন করেছেন।


আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে নির্বাচনী হাওয়া ততই উত্তাপ হচ্ছে। কুমিল্লা-১০ আসনে আওয়ামীলীগে প্রার্থী হিসেবে নঈম নিজামকে সকলের সেরা মনে করছেন তৃণমূলের জনগণ। আর তৃণমুলের নেতা-কর্মীদের উৎসাহ, ভালোবাসায় তিনি রবিবার (১৯ নভেম্বর) বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীর শোডাউন নিয়ে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন দৌঁড়ে তিনি সকলের চেয়ে এগিয়ে আছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
কারিগরি সহযোগিতায় : বি-কেয়ার আইটি, বাপ্পি মজুমদার ইউনুস #01711-286173